< মন্ত্রীর বিধানসভাতেই শারীরিক প্রতিবন্ধী এক যুবতীর ভাগ্যে জোটেনি সরকারি ভাতা! 

মন্ত্রীর বিধানসভাতেই শারীরিক প্রতিবন্ধী এক যুবতীর ভাগ্যে জোটেনি সরকারি ভাতা! 

মন্ত্রীর বিধানসভাতেই শারীরিক প্রতিবন্ধী এক যুবতীর ভাগ্যে জোটেনি সরকারি ভাতা! 

মন্ত্রী বিকাশের বিধানসভাতেই শারীরিক প্রতিবন্ধী এক যুবতীর ভাগ্যে জোটেনি সরকারি ভাতা!

 

সুব্রত দে, ত্রিপুরা, প্রতিনিধি:- মন্ত্রী বিকাশের বিধানসভায় শারীরিক প্রতিবন্ধী এক যুবতীর ভাগ্যে জোটেনি সরকারি ভাতা!  শারীরিক প্রতিবন্ধী ওই যুবতীর পরিবারে নেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের সরকারি ঘর! অথচ রাজ্যের জনজাতিদের উন্নয়নে লম্বা-চওড়া ভাষণ দেওয়া রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রীবাহাদুর সব কিছু জেনে শুনেও নীরব দর্শক। রাজ্যের প্রত্যেকটি ভিলেজ কমিটি, গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের ঘর প্রদান করা হয়েছে বলে দাবি করা হলেও রাজ্যের সহজ সরল জনজাতিরা এখনো যে লাঞ্চিত বঞ্চিত তার জলজ্বান্ত প্রমাণ আজকের এই প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হবে।

এক অসহায় মায়ের প্রতিবন্ধী কন্যা সন্তান থাকলেও নেই প্রতিবন্ধী ভাতা! নেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের সরকারি ঘর! এই দৃশ্য রাজ্যের উপজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মার নির্বাচনী কেন্দ্র তথা ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত খাসিয়ামঙ্গল এলাকায়। এই এলাকার বসবাসরত এক হতদরিদ্র দিব্যাঙ্গ রেশ্মি দেববর্মা।

তার প্রতিবন্ধী শংসাপত্র, থাকা সত্যেও নেই সরকারি সাহায্য সহযোগিতা। অন্য দিকে নেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের একটি ঘর। বাবা গত হয়েছে বেশ কিছু বছর, মা-মেয়ের টানাটানির সংসার।

এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এলাকার এক সমাজসেবী জানান ,,ছয় বয়স থেকেই কোনো এক কারনে রেশ্মি দেববর্মার পা বিকল হয়ে বর্তমানে দিব্যাঙ্গের তালিকায় নিজের নাম নথিভুক্ত করেছে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত এই অসহায় পরিবারের ভাগ্যে জোটে নি কোন প্রকারের সাহায্য সহযোগিতা। অথচ তাদের এই দুরাবস্থার সময় পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করার কাওকে পায়নি এই অসহায় পরিবারটি।

আত্মীয় পরিজন কিছু সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে এই দিয়ে কোন প্রকার চলছে তাদের টানাটানির সংসার। চাইছেন একটা প্রতিবন্ধী ভাতা, একটা সরকারি ঘর। যাতে করে এই হতদরিদ্র পরিবারটি কন্যা সন্তানের চিকিৎসা সহ ভরনপোষণ করতে পারে অসহায় মা। এমতাবস্থায় সরকারি সহযোগিতাই একমাত্র দাবি এই অসহায় পরিবারের।

অন্যদিকে এই এলাকার বিধায়ক তথা উপজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা এই প্রতিবেদন সম্প্রচার হওয়ার পর তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় কিনা সেটাও কিন্তু দেখার বিষয়। যদিও মন্ত্রী বাহাদুর ব্যাস্ত নিজের শীততাপ নিয়ন্ত্রণ গাড়িতে করে এদিক ওদিক ছুটে মিডিয়ার লাইম লাইটে আসা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *