< Kangana Ranaut কে ‘চড়’ মারা জওয়ানের দায়িত্ব নেবেন বিশাল! সপক্ষে ‘ধর্ষনের’ যুক্তি খাঁড়া অভিনেত্রীর

Kangana Ranaut কে ‘চড়’ মারা জওয়ানের দায়িত্ব নেবেন বিশাল! সপক্ষে ‘ধর্ষনের’ যুক্তি খাঁড়া অভিনেত্রীর

 

আইনের চোখে তিনি অপরাধী। কিন্তু প্রতিবাদের যে পদক্ষেপ সিআইএসএফ জওয়ান কুলবিন্দর কউর নিয়েছিলেন তাকে নৈতিক সমর্থন জানিয়েছেন তাঁর মা-ও। এবার বরাবর বিজেপি বিরোধী হিসাবেই পরিচিত সঙ্গীত পরিচালক বিশাল দাদলানি এবার চাকরির প্রস্তাব দিলেন সাসপেন্ড ও শাস্তির মুখে পড়া জওয়ানকে। গোটা ঘটনায় কার্যত সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সাংসদকেই দুষছে গোটা দেশ। এই পরিস্থিতিতে নিজের সপক্ষে জনসমর্থন টানতে উঠে পড়ে লেগেছেন কঙ্কনা। চড় মারার ঘটনাকে ধর্ষণের সঙ্গেও তুলনা করতে বাকি রাখলেন না তিনি।

 

চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে সিআইএসএফ জওয়ান কুলবিন্দর কউরের অভিনেত্রী Kangana Ranaut কে চড় মারার ঘটনায় ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী তদন্ত শুরু হয়েছে, তাঁকে সাসপেন্ড করে। সিআইএসএফ আধিকারিকদের দাবি, নিজের ডিউটি ক্ষেত্র থেকে বেরিয়ে এসে কঙ্কনার নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে গিয়ে নিয়ম ভেঙেছিলেন কুলবিন্দর। সেক্ষেত্রে বড় শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁকে। তবে এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনা জওয়ানের থেকে পাওয়া অসম্মান নিয়ে সেই কাজ করা থেকে মুক্তি পেতে পারেন কুলবিন্দর।

 

সঙ্গীত পরিচালক বিশাল দদলানি যে কোনও খারাপ পরিস্থিতিতে জওয়ান কুলবিন্দরকে চাকরি দিতে প্রস্তুত। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, “আমি কখনও হিংসাকে সমর্থন করি না। কিন্তু এই সিআইএসএফ জওয়ানের রাগের কারণ অনুভব করি। সিআইএসএফ-এর পক্ষ থেকে যদি তাঁর বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে আমি নিশ্চিত করব তাঁর জন্য একটি চাকরি, যদি তিনি তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকেন।”

 

যে মায়ের জন্য প্রতিবাদ করে শাস্তির মুখে কুলবিন্দর, সেই মা এই ঘটনার পরে মেয়ের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, মেয়ে যা করেছে ঠিক করেছে। মায়ের অসম্মান কী কোনও সন্তান দেখতে পারে, প্রশ্ন তাঁর। এভাবেই গোটা ঘটনার পরে কুলবিন্দরের পক্ষে সমর্থন বাড়তে থাকায় অনিশ্চয়তায় থাকা কঙ্গনার দাবি, ধর্ষণ বা খুন করলেও অপরাধীকে শাস্তি পেতে হয়। তাঁর যুক্তি, ধর্ষণ বা খুন করার পিছনেও অপরাধীর যথেষ্ট মানসিক কারণ থাকে। সেই যুক্তি দেখিয়েই এবার তিনি কুলবিন্দরের অপরাধকে ধর্ষণ বা খুনের সঙ্গে একসারিতে বসাতে চাইছেন। সেই সঙ্গে আড়াল করছেন যে মানসিক পরিস্থিতি একজন মেয়েকে তাঁর মায়ের হয়ে প্রতিবাদ করতে বাধ্য করেছে তাকে।

তবে বিশালকে এই কারণে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে। গায়িকা সোনা মহাপাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশালকে মেরুদণ্ডহীন বলে দাবি করেন। তিনি এই প্রসঙ্গে আবার অনু মালিকের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এনে কটাক্ষ করেন বিশালকে।

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *