< বাজাজের ( bajaj ) সুপার ডুপার হিট মোটরসাইকেল, মাত্র ১ মাসে বিক্রি হল এক লক্ষ বাইক

বাজাজের ( bajaj ) সুপার ডুপার হিট মোটরসাইকেল, মাত্র ১ মাসে বিক্রি হল এক লক্ষ বাইক

বিজ্ঞান ও প্রযক্তি ডেস্ক : গত মাসে একাধিক বাইকের আপডেটেড ভার্শন লঞ্চ করেছে বাজাজ ( bajaj )। পালসার এন150, এন160, এনএস 160, এনএস200 এবং এনএস 125 বাইকের নতুন 2024 মডেল লঞ্চ করেছে কোম্পানি। যার ফল হাতেনাতে পেল বাজাজ। দেশজুড়ে মুড়ি-মুড়কির মতো বিক্রি হল পালসার সিরিজ। কোম্পানির সবথেকে বেশি বিক্রি হওয়া বাইক এখন বাজাজ পালসার।

এনএস 160

ফেব্রুয়ারির পরিসংখ্যান বলছে, মোট 1,12,544টি বাজাজ পালসার বিক্রি করেছে কোম্পানি। যা প্ল্যাটিনা, চেতক এবং ডমিনারের থেকে অনেক বেশি। ঠিক এক বছর আগে ফেব্রুয়ারি 2023-এ 80,106টি পালসার বিক্রি করেছিল বাজাজ। শোরুমের বাইরে মানুষের যে ভিড় লেগেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

মূলত, 125 সিসি ইঞ্জিন থেকে 150 সিসি, 160 সিসি এবং 200 সিসি সবকটি সেগমেন্টে বাইক হাজির করেছে কোম্পানি। যার ফলে ক্রেতাদের বিকল্প রয়েছে অনেক। এছাড়াও গত মাসে যে নতুন আপডেটেড ভার্শনগুলি লঞ্চ করা হয়েছে তার প্রত্যেকটিতে ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি যোগ করেছে বাজাজ।

দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে প্ল্যাটিনা

বাজাজ পালসারের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কোম্পানির সবথেকে লোকপ্রিয় কমিউটার মোটরসাইকেল বাজাজ প্ল্যাটিনা। গত মাসে 28,718টি ইউনিট বিক্রি করেছে কোম্পানি। 2023 সালের ফেব্রুরারিতে বিক্রি হয়েছিল 23,923। 20.4 শতাংশ বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে গত মাসে। এটি কোম্পানির অন্যতম সেরা মাইলেজ সম্পন্ন বাইক।

তৃতীয় স্থানে ইলেকট্রিক স্কুটার বাজাজ চেতক

বাজাজ পালসার, প্ল্যাটিনার থেকেও বিক্রি বেড়েছে বাজাজ চেতক। শতাংশের হিসাবে 417 শতাংশ (গত বছর ফেব্রুয়ারির তুলনায়)। সংখ্যায় 13,620টি ইউনিট। বাজাজ চেতক ইলেকট্রিক স্কুটারের এক্স শোরুম দাম 1.15 লাখ টাকা থেকে শুরু। স্কুটির দুটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে বাজারে। আর একটি ভ্যারিয়েন্টের দাম 1.35 লাখ টাকা। ফুল চার্জে রেঞ্জ 126 কিলোমিটার।

বিক্রি কমেছে ডমিনারের

বাজাজের একমাত্র 400 সিসি ইঞ্জিনের হাই-পারফরম্যান্স মোটরসাইকেল বাজাজ ডমিনার। দক্ষ ইঞ্জিনের পাশাপাশি এটি অফ-রোডিং করার জন্যও বিখ্যাত। তবে গত মাসে মোটরসাইকেলের বিক্রি ভালো পরিমাণে কমেছে। 698টি ইউনিট বিক্রি হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে।

 

বাজাজের বেস্ট সেলিং বাইকের তালিকায় চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে বাজাজ সিটি এবং বাজাজ অ্যাভেঞ্জার। সিটি বিক্রি হয়েছে 4,767 এবং অ্যাভেঞ্জার 1,656। গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় অ্যাভেঞ্জারের বিক্রি কমলেও, সিটি’র বিক্রি বেড়েছে। তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে বাজাজ ডমিনার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *